বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য"

 বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য"



একটা দেশের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও রূপ ফুটে ওঠে তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্য দিয়ে বৈচিত্র্যময় প্রকৃতি দেশে দেশে বিভিন্ন রূপে প্রতীয়মান হয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করছে। বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভন্ন পুর এক অপূর্ব লীলানিকেতন। সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা, সৌন্দর্যে অন্না আমাদের এদেশ।

লামী প্রকৃতি এ দেশে যেন মুক্তহস্তে তার সমস্ত সৌন্দর্য বিভ্ররণ করেছে। শাশ্বতকাল ধরে এ অনুপম সৌন্দর্য মাননা হৃদয়ে দােলা দেয়। যুদ্ধ কবিছিয়ে জন্ম দেয় সংপীতের উস ধারা, ভালুকের হৃদয়ে তােলে তালের হিল্লোল ও বাংলাদেশের অসাধারণ সৌন্দর্য উপভােগ করার অল্যে বিভিন্ন দেশ থেকে এদেশে ছুটে আসেন সৌন্দর্যপ্রেমিক মানুষ্ট বানিয়ের, ইবনে বতুতা, হেডারিক, সিজার প্রমুঘ বৈদেশি পর্যটক এদেশের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছেন।

এদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে কবি গেয়েছেন-
কোন্ গগলে ওঠরে চাঁদ এমন হাসি হেসে।
আঁখি মেলে তােমার আলাে
“হম আমার চোখ ভালাে
শুই অলােকেই নন রেস্থে মুনবো নতুন লেন্মে।"

বৈচিত্রময় প্রকৃতি: টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলােমিটার আযানের ছােট্র এ দশটি বিশ্বের দরবারে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব
লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত।

এ সৌন্দর্য যেমন দেশের ভূ-প্রকৃতি গঠনের দিক থেকে, তেমনই ঋতুবৈচিত্র্যের দিক থেকে বিরাজিত। দেশের দক্ষিণে বিশাল বঙ্গোপসাগরের উত্তাল ঢেউয়ের প্রতিধ্বলি নিয়তই এক অলৌকিক সুরের মায়াজাল সৃষ্টি করে। হাজার হাজার মানুষ সেই সুরের মােহে ছুটে যায় সমুদ্র সৈকতে। উত্তরের ধূসর প্রকৃতির উদাসীনতার বাণী পশলা বাঊলর মতাে মানুষকে ঘরছাড়া করে। অসংখ্য নদ-নদী জালের মতো সাল্লাদেশে বিস্তৃত রয়েছে।

কলল রবে এসব নদ-নদী সাগরের পানে ছুটে চলো প্রতিনি। এদেশের অনু পাহাড়, বন-বনানী যেন ঘােমটা মাথায় দিয়ে ধ্যানে রত। এটাই মামাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশ। আর এভাবে আমাদের দেশের ফ্লেট রিধিতে প্রকাশ পেয়েছে প্রাকৃতিক রূপের লীলাখেলা।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বনাঞ্জুল ও পাহাড়: প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এ বাংলাদেশ। অপূর্ব সৌন্দর্যে বিভূষিত এদেশের বৈচিত্র্যময় গায়ে
অববাহিকান্ন সাগর তীরে জেগে ওঠা উর্বর পলিমাটি। এ সান্দ্র মাটিতে জন্ম নিয়েছে প্রচুর ন|একুণে | বিশ্ব জুড়ে রয়েছে এদেশে সুন্দরবনের নামঃ

যেখানকার বিশাল বনানীতে সৃষ্টি হয়েছে এক স্বতন্ত্র জীবনধারা। এখানকার বিfিত্র জীবজন্তু মানুষৰুে যেমন আকৃষ্ট করে, তেমনি মনে ঊতিরওসঞ্চার করে। বিশ্ববিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার এ চিত্রল হরিণ ছাড়াও সুন্দরখানে রয়েছে অসংখ্য জীবজন্তু। নদ-নদী, সাগরের পানিতে যেমন রয়েছে প্রচুর মাছ, তেমনই রয়েছে রাক্ষুসে কুমির।

সুন্দরবন হুড়াশু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে আকণীয় হয়ে রয়েছে ভাওয়াল ও মধুপুরের গড় বনাজুল পার্বত্য চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, সিলেট, বান্দরবানের বনাঞ্চলের সাথে পাহাড় এবং পাহাড় ঘেঁষে বয়ে যাওয়া নদীগুলাে এক অপূর্ব সৌন্দর্যের সৃষ্টি করেছে.

বনাগুল ও পাহাড়ের আঁকাবাঁকা, উঁচুনিচু পথে চলার সময় যে মনােমুগ্ধকর দৃশ্য চোখে পড় তা বিস্মৃত হওয়ার নয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে তা সহজেই মানুষের মনকে আকৃষ্ট করতে পারে। রাওমািটি ও বান্দরবানের পাহাড়লাে বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকা এক অসীম সৌন্দর্যের সৃষ্টি করেছে। এখনও দুশম চিম্বুক আর সাজেক উপত্যকার অপূর্ব সৌন্দর্য দেশবাসীর অজানা। ফয়েজ লেক ও রাঙামাটির কাপ্তাই লেক পাহাড়ের বুকে সৃষ্টি করেছে এক অনালি সৌন্দর্যের ধার ।

নদ-নদীর সৌন্দর্য বাংলাদেশে নদ-নদীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এদেশের নাম হয়েছুে নলীমাতৃক দেশ। অসংখ্য নদীর জন্যে বাংলাদেশের প্রকৃতি
বেশি সৌন্দর্যমণ্ডিত হয়ে উঠেছে। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, শীতলক্ষ্যা, কর্ণফুলি, সুরমা প্রভৃতি নদী জালের মতাে ছড়িয়ে রয়েছে সারাদেশ জুড়ে।

এদেশের বুকের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এসব নদী এর মার্টিকে উর করে শস্য-শ্যামলা করে তুলেছে, প্রকৃতিকে করেছে বৈচিত্র্যময়। নদীর জলধারার প্রভাবে সবুজের সমারােহ এসেছে সর্বত্র। নদীর বুকে বয়ে চলা নৌকা, লঞ্চ, স্টিমারগুলােও এক অনির্বচনীয় সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছে। বর্ষার সময় এসব নদী দু কূল প্লাবিত করে বয়ে চলে। এসব নদ-নদী ছাড়াও অসংখ্য খাল-বিল, হাওর, দ্বীপ এদেশে প্রকৃতিকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে । হাতিয়া, সেন্টমার্টিন, কুতুবদিয়া, সন্দ্বীপসহু বহুসংখ্যক দ্বীপ বাংলাদেশের প্রকৃতিকে করেছে আরও সৌন্দর্যমণ্ডিত।

 

বই তুবৈচিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: বান্দালেশের কাতুবৈচিত্রা এক জ্বপূর্ণ প্রাকৃতিক দুর্ণেনা সৃষ্টি করে। প্রকৃতিক সৌন্দর্থেী প্রাকৃত বেশি। মিলিত
রয়েছে যা বৈচিত্রের মাধ। এদেশের প্রকৃতি বারো মাসে ছয় ঋতুর বিচিত্র লীলা চলে। ২l) থg for foা বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য নিয়ে যাঁদের দায়।
এম, শাঁ, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বস কত চক্রাকারে জানত্রিত হয়। এই পরিবর্তন ঘট প্রতিক সৌন্দর্শের দৃশবৈচিত্রার এগৰ লড়ছে দাললাতে
প্রতি অত্রম হয় দ্রত দারুণ ক্ষর। এ সময়ের কালবৈশাখি বড় গাছপালা ভােও ঢুর প্রকৃতিক হৈল দুমড়ে-মুচ: 'শিরে যায়। এ সময় আম,
নান, লিসহ নিভিন্ন কল পালি! শুর করে।
লয়া ম্যসে পরিপূর্ণ নূপ নিলে। চারদিকে পানি থৈ থৈ করে। সারাদিন ঝর কয় বৃষ্টি পড়তে পাঝে। সূহের মুখ দেখা যায় না বললেই চলে। নন-

শালার পন্য ; শূল ছাপিয়ে যেন পণ নৌবনব বপ ধারণ করে। প্রচুনা বৃষ্টিপাত্রে প্রকৃতি নতুনরূপ গলে জানি তা। প্রকৃতি ৰূন এমন সজল

ম: এই পূর্ব জান্নার দৃষ্টি ভং। 'দিকে দু-
একান্ন আনল ফানি লাগে। ফুলে ফুলে সুশােভিট তবে, এ বান্ন প্রখ্যাত। হেয়, নম, খুঁই,
ইন ফুণেন্ন সৌরভ চারদিন মৌ মৌ করে। ঘন বর্ষার এ প্রেকৃতিতে আনু মন তাই তালে এC-
মা নিন : খুলা ||?।

এমন গলদোর নামান্য ।
শরতের প্রকৃত ভিন্নর রুপ ধারণ করে। এই সানা মেয়ের শরঙের আকাশ আর রাতের ত্যাস্ত্রো এ মুশ-ৰূণ চীন্দহঁর সৃষ্টি করে বানিনা.
শেফালি, মুসনাহেনা পদে ভরে ওঠে প্রকৃoি | সলুলের শিক্ষণ সমাবেশে প্রকিতি শত্ররূপ ধারণ লো । সৌন্দর্য মনু বরের কনি। দেখে
‘আজিকে তোমার মধুর মুরভি হরিণ শরণ লাল। শত শূল | সুন্ন বৈশি েনেপা দেয়। শস্যক্ষেত্রের পাঝা মনে প্রতি এক অপরুপ সৌন্দর্য

ঢাফি মাফ করে পাকা ধান মুল্লে জালে।
শীত যত আসে ভার গৈরিক ঐ নীয় নিয়ে। শ'পালার শত্রা ঋলে প্রসূতি শশী, লি-বণ" " ছনি মা । মনে হয় প্রকৃতি নিরূদাণ ৰূপ ধারণ করেছে।
নীতের সকালে শিশির বিন্দুর ওপর সুর্যের রশ্মি পড়ে একা পেরূপ সৌন্দর্যের সৃষ্টি হং। শীতের শূন্যতা দিয়ে দিল সৌন্দর্য নিয়ে প্রকৃতিতে
উপস্থিত হয় ঋতুরা শসপ্ত। এসময় জে গাহে, নতুন পাত্র দেখা দেয়। ফুলের সমারোহে ! 'ক'তালের পান প্ৰকৃত্রি নতুন রূপে সজ্জিত হয় ।
এভাবে দুইটি " লাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে অণ ও পেমত্রি - ত্রানুল ক্রাই, লি মুCি <লেন -
'এমন দেশটি কোথাও ে|ণ •|•কা তুমি
সঞ্চল দেশে না। সে যে আমার জলাভুমি।

 

প্রকৃতি ও মানুষের জীবনের হনি মনে মধ্যেই দেশের প্রকৃত সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। আম্মাদের দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দয় সৌন্দর্যম।
মানুষকে কলুস্থ জলাস। এদেশের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হতাে বিলিলুর রটিক ছুটে এসেছে দেশ-বিদেশ থেকে | হলি বি6ি. সৌন্দর্য এদেশের মানুফের
মনে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে । পূর্ব সৌ-পথে বিশিত এখানকার মানুলের চেহারায় যেমন বৈচিত্র্যের সমাবেশ ঘটাচ্ছে, তেমনি একুতিতেও
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বৈচিত্রের সমাবেশ ঘটেছে। বাংলাদেশকে প্রকৃতির সুরম্য লীলা নিতে বললে ভুল হবে না। এদেশের দিকে দৃষ্টিপাত করা।
যায়, সেনিয়েই দেখা যায় প্রকৃতির অপৰূর্ণ সৌন্দর্য

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url